মহেশখালীতে প্রতিবন্ধীর বসতঘর তুলতে প্রতিপক্ষের বাঁধা, ভোগান্তিতে পরিবার

 প্রকাশ: ২৩ অগাস্ট ২০২৩, ১০:৫৬ পূর্বাহ্ন   |   সারাদেশ

মহেশখালীতে প্রতিবন্ধীর বসতঘর তুলতে প্রতিপক্ষের বাঁধা, ভোগান্তিতে পরিবার


নুরুল করিম(মহেশখালী):

মহেশখালী উপজেলার ছোট মহেশখালীতে গ্রাম্য শালিসী রোয়েদাদ নামা মেনে বসতঘর ভেঙ্গে পরে আবার নতুন ভাবে বসতঘর তুলতে না পাড়ায় প্রায় ৫ মাস পর্যন্ত ভোগান্তির শিকার হচ্ছে কক্সবাজার জেলা দৃষ্টি প্রতিবন্ধী'র সভাপতি আবুল হালিমের পরিবার। পূর্বের নির্মিত টিনসেট বসতঘর ভেঙ্গে নতুন করে পাকা দালান ঘর নির্মাণ করতে গেলে গ্রাম্য শালিসী রোয়েদাদ নামা উপেক্ষা করে বাধা দেয় প্রতিপক্ষ ফরিদ আলম। ফলে প্রতিবেশি এক স্বজনের বাসায় দীর্ঘ মাস ধরে পরিবার পরিজন নিয়ে বসবাস করতে হচ্ছে ভুক্তোভোগী পরিবার। উপজেলার ছোট মহেশখালী ইউনিয়নের লম্বাঘোনা বাজারে পূর্ব পার্শ্বে এ ঘটনা ঘটে।


আজ ২২ শে আগষ্ট মঙ্গলবার বিকালে সরেজমিনে দেখা গেছে, নতুন পাকা দালান নির্মাণের জন্য পূর্বের টিনসেড ঘর ভেঙ্গে ফেলায় লম্বাঘোনা গ্রামের প্রতিবন্ধী আব্দুল হাকিম পুরাতন বসতঘর ভেঙে নতুন ঘর নির্মান পূর্ব থেকে জমি রেজিঃ করতে বলেই বিভিন্ন তালবাহানা ও শালিসী বৈঠকে বসতে হয় একাধিক বার ফরিদের সঙ্গে। এদিকে জমি

বায়না মূলে সাফ-কবলা দলিল নির্ধারিত স্ট্যাম্পে লেখার পর দলিলদাতা অর্থাৎ বিক্রেতা সাব রেজিস্ট্রারের অফিসে উপস্থিত হয়ে গ্রহীতা প্রতিবন্ধী আব্দুল হালিম খরিদ্দারের বরাবরে কবলা না দিয়ে ইতিপূর্বে ১,৪৯,০০০ টাকা গ্রহণ করে প্রতি খড়ার দাম-১৪,০০০ হাজার টাকা ধরে। উল্টো জমি কবলা না দিয়ে দালান নির্মান কাজে বাঁধাতে ইটের দেওয়াল ভেঙে দিয়ে আসে, মেস্ত্রীদের কাজ করলে হাত খেটে নিবে বলে হুমকি দেয়। ফলে পর্যন্ত অযত্মে থাকায় নষ্ট হয়ে যাচ্ছে প্রায় ১ লক্ষ টাকার নির্মান সামগ্রী।


স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ছোট মহেশখালী ইউনিয়নের লম্বাঘোনা গ্রামের দৃষ্টি প্রতিবন্ধী আব্দুল হালিম ও ফরিদ আলমের মধ্যে জমিজমা ক্রয়-বিক্রয় নিয়ে বিরোধ মিমাংসা করার জন্য প্রায় কয়েক বার ছোট মহেশখালী ইউনিয়নের আওয়ামী লীগের সভাপতি জহির সিকদার ও সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ডের শালিশকার'সহ সাতজন সদস্য নিয়ে একটি শালিসনামা গঠন করা হয়। মানীত ওই শালিসগন গত ২দিন আগেও উভয় পক্ষের সম্মতিতে একটি রোয়েদাদ নামায় আপোষ বন্টন করে দেন। উভয় পক্ষ তা মেনেও নেয়। এরপর প্রতিবন্ধী আব্দুল হালিম ওই রোয়দাদ নামা মেনে পুনরায় ঘর তোলার কাজ শুরু করলে আবারও নির্মান কাজে বাঁধা দেয় বাঁচা মিয়া পুত্র ফরিদ আলম মেস্ত্রীদের হুমকি দিয়ে দেওয়াল ভেঙে দিয়ে চলে যায়।  


মহেশখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি) সুকান্ত চক্রবর্তী বলেন, অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।


সারাদেশ এর আরও খবর: