জাবিতে ''জাতীয় বিজ্ঞান অলিম্পিয়াড ২০২২'' এর পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত
প্রকাশ: ২৯ অগাস্ট ২০২২, ১২:২৬ পূর্বাহ্ন | শিক্ষা
মাহমুদুল হাসান (জাবি প্রতিনিধি) :
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় সাইন্স ক্লাব(জেইউএসসি) ও বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি জাদুঘরের উদ্যোগে '৪র্থ জাতীয় বিজ্ঞান অলিম্পিয়াড ২০২২' এর পুরষ্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
রবিবার (২৮ আগস্ট) বিশ্ববিদ্যালয়ের জহির রায়হান মিলনায়তনের সেমিনার কক্ষে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানের উদ্বোধনী বক্তব্যে সায়েন্স ক্লাবের সভাপতি জাকিরুল ইসলাম বলেন, ‘আধুনিক জাতি গড়তে বিজ্ঞানের প্রয়োজনীয়তা অপরিহার্য। বিজ্ঞান ছাড়া আমরা অচল। দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে বিজ্ঞানী অনুসন্ধানে জাবি সায়েন্স ক্লাব কাজ করে যাচ্ছে। আমাদের এই ধারাবাহিকতা ভবিষ্যতেও বজায় থাকবে।’
প্রধান অতিথির বক্তব্যে জাবি উপাচার্য অধ্যাপক মো. নূরুল আলম বলেন,'' জয়লাভ করা বড় কথা নয়, অংশগ্রহণ করাই বড় কথা। বিজ্ঞান মানুষের চিন্তাশক্তি উদ্ভাবনী শক্তি বৃদ্ধি করে। আমাদের বেশি বেশি বিজ্ঞান চর্চা ও গবেষণা করা উচিত। গবেষনায় উন্নতি লাভ করার মাধ্যমে আমরা জাতি হিসেবে উন্নতি লাভ করতে পারবো। বাংলাদেশের শিক্ষার্থীরা বিদেশ থেকে উচ্চ শিক্ষা গ্রহণ করে দেশের সকলের মাঝে জ্ঞানের আলো ছড়িয়ে দেবে।''
অলিম্পিয়াডের কনভেনর শাকিল হোসাইন ও জান্নাতুল ফিরদাউস সুমাইয়া বলেন, ‘করোনা মহামারির কারণে দীর্ঘদিন শিক্ষা কার্যক্রমের বিরতির পর এমন একটি আয়োজন শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় আগ্রহী করে তুলবে বলে আমরা আশা করছি। স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের সাড়া দেখে আমরা অভভূত। দেশের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে আসা বিজ্ঞানপ্রেমী শিক্ষার্থীদের দেখলে মনে হয়, সেদিন বেশি দূরে নয় যেদিন আমাদের দেশ বিশ্বের বুকে মাথা উঁচু করে দাঁড়াবে।’
অনুষ্ঠানে জাতীয় বিজ্ঞান অলিম্পিয়াডে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে বিজয়ী শিক্ষার্থীদেরকে পুরস্কার প্রদান করা হয়। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য শেখ মো. মনজুরুল হক, গাণিতিক ও পদার্থ বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক অজিত কুমার মজুমদার, পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক শফি মুহাম্মদ তারেক, প্রাণীবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক কবিরুল বাশার,ভারপ্রাপ্ত প্রক্টর অ স ম ফিরোজ-উল-হাসানসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যান্য শিক্ষকমন্ডলী।
উল্লেখ্য এবছর স্কুল,কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায় প্রায় ছয় শত শিক্ষার্থী প্রতিযোগীতায় অংশগ্রহণ করে। বাছাই প্রক্রিয়া শেষে সাতটি ক্যাটাগরিতে ত্রিশ জন শিক্ষার্থকে পুরষ্কারের জন্য মনোনিত করা হয়।

