কুষ্টিয়া-১ আসনে বিএনপির রেজা আহমেদ বাচ্চু মোল্লার নিরঙ্কুশ বিজয়
প্রকাশ: ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০১:৪২ অপরাহ্ন | রাজনীতি
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ২০২৬-এ কুষ্টিয়া-১ (দৌলতপুর) আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী জননেতা আলহাজ্ব রেজা আহমেদ বাচ্চু মোল্লা বিপুল ভোটে বিজয়ী হয়েছেন। বেসরকারি ফলাফল অনুযায়ী তিনি ১ লাখ ৬৫ হাজার ৮৫ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন।
এই বিজয়কে স্থানীয় জনগণ ও বিএনপির নেতাকর্মীরা দৌলতপুরবাসীর দীর্ঘদিনের প্রত্যাশার প্রতিফলন এবং জনগণের আস্থার সুস্পষ্ট বহিঃপ্রকাশ হিসেবে দেখছেন। ফলাফল ঘোষণার পরপরই দৌলতপুরসহ পুরো নির্বাচনী এলাকায় দলীয় নেতাকর্মী ও সমর্থকদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা যায়। বিভিন্ন স্থানে শুভেচ্ছা বিনিময় ও আনন্দ প্রকাশের চিত্র লক্ষ্য করা গেছে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, বৃহত্তর কুষ্টিয়াসহ মেহেরপুর ও ঝিনাইদহ জেলার বিভিন্ন আসনে যখন অন্যান্য রাজনৈতিক দলগুলো শক্ত অবস্থানে রয়েছে, তখন তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা মোকাবিলা করে একমাত্র কুষ্টিয়া-১ আসনে বিএনপির পক্ষে বিজয় অর্জন একটি উল্লেখযোগ্য রাজনৈতিক ঘটনা। এর মাধ্যমে এই অঞ্চলে বিএনপির সাংগঠনিক অবস্থান আরও সুদৃঢ় হয়েছে বলে মনে করছেন তারা।
বিজয়ের পর খুলনা বিভাগের রাজনীতিতে রেজা আহমেদ বাচ্চু মোল্লাকে গুরুত্বপূর্ণ সাংগঠনিক দায়িত্বে আনার বিষয়টি আলোচনায় এসেছে। দলীয় নেতাকর্মীদের মতে, মাঠে পরীক্ষিত নেতৃত্ব ও জনসম্পৃক্ততার কারণে তিনি আঞ্চলিক রাজনীতিতে আরও কার্যকর ভূমিকা রাখতে সক্ষম হবেন।
এদিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা চলছে—বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে ভবিষ্যতে বিএনপি সরকার গঠিত হলে রেজা আহমেদ বাচ্চু মোল্লাকে মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্ত করা হতে পারে।
নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য হিসেবে রেজা আহমেদ বাচ্চু মোল্লার কাছে দৌলতপুরবাসীর প্রত্যাশা—তিনি শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি, কর্মসংস্থান, যোগাযোগ ও অবকাঠামোগত উন্নয়নে কার্যকর ও টেকসই উদ্যোগ নেবেন এবং জাতীয় সংসদে এলাকার ন্যায্য দাবি জোরালোভাবে তুলে ধরবেন।
উল্লেখ্য, রেজা আহমেদ বাচ্চু মোল্লা মরহুম আহসানুল হক পঁচা মোল্লার সুযোগ্য সন্তান। পঁচা মোল্লা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে বিএনপির ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে তিনবার জাতীয় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন এবং ২০০১ সালে ডাক, তার ও টেলিযোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
(তথ্যসুত্র : এম মাহফুজুর রহমান টুটুল)
