সিলেট প্রেসক্লাবে ড. ওয়ালী তসর উদ্দিন এমবিই'র সম্মানে এমজেএম গ্রুপের সংবর্ধনা প্রদান অনুষ্ঠিত

 প্রকাশ: ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১১:৫৫ পূর্বাহ্ন   |   সফলতার গল্প

সিলেট প্রেসক্লাবে ড. ওয়ালী তসর উদ্দিন এমবিই'র সম্মানে এমজেএম গ্রুপের সংবর্ধনা প্রদান অনুষ্ঠিত

স্কটল্যান্ডে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের অনারারি কনসাল জেনারেল নিযুক্ত হওয়ায় বিশিষ্ট কমিউনিটি লিডার, ব্যবসায়ী ও সমাজসেবক যুক্তরাজ্য প্রবাসী ড. ওয়ালী তসর উদ্দিন এমবিই'র সম্মানে সিলেট প্রেসক্লাবের আমিনুর রশীদ চৌধুরী মিলনায়তনে ১৪ জানুয়ারি ২০২৬, বুধবার ইংল্যান্ডের এমজেএম গ্রুপের আয়োজনে বিশাল সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হয়েছে।


সভাপতিত্ব করেন লন্ডন বাংলা প্রেসক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মহিব চৌধুরী। পরিচালনা করেন সিলেট প্রেসক্লাবের সাবেক কোষাধ্যক্ষ ও দৈনিক সিলেটের ডাকের সিনিয়র রিপোর্টার কাউসার চৌধুরী। শুরুতে

কুরআন তেলায়ত করেন গোলাম হাফিজ সুফিয়ান। অনুষ্ঠানে সংবর্ধিত অতিথি ছিলেন ইউরোপ-বাংলাদেশ ফেডারেশন অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (ইবিএফসিআই) সভাপতি ড. ওয়ালী তসর উদ্দিন এমবিই, ডিবিএ, ডি.লীট। প্রধান অতিথি ছিলেন সিলেট প্রেসক্লাবের সভাপতি মুকতাবিস উন নুর। বিশেষ অতিথি ছিলেন, লন্ডন বাংলা প্রেসক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক ও দৈনিক সিলেটের ডাকের অতিথি সম্পাদক নজরুল ইসলাম বাসন, সিলেট প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ সিরাজুল ইসলাম, কেন্দ্রীয় মুসলিম সাহিত্য সংসদের সাধারণ সম্পাদক গল্পকার সেলিম আউয়াল, দৈনিক মানবজমিনের কুটনৈতিক রিপোর্টার মিজানুর রহমান ও লন্ডন বাংলা প্রেসক্লাবের কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য পলি রহমান।

সংবর্ধিত অতিথি’র বক্তব্যে ড. ওয়ালী তসর উদ্দিন এমবিই বলেন, আমার পরিবারে ১২০ জন গ্র্যাজুয়েট রয়েছেন। তাঁকে ব্রিটিশ সরকার বেস্ট মুসলিম হিসেবে ১৯৮৮ সালে এ্যাওয়ার্ড প্রদান করেন। সম্মান সব আল্লাহর হাতে। মানুষের জন্য নিঃস্বার্থভাবে কাজ করলে এর প্রতিদান পাওয়া যায়। তিনি আমাদেরকে সম্মানিত করেন। জীবনে শেখার কোনো শেষ নেই। এপর্যন্ত ১৩৪ টি দেশ ভ্রমণের মধ্য দিয়ে এখনও শিখছি। আমাদের বিভিন্ন সেক্টরের ব্যাপক সম্ভাবনা থাকার পরেও শুধু যথাযথ উদ্যোগ আর চিন্তার অভাবে সম্ভাবনাকে কাজে লাগানো যাচ্ছে না। সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে আমি ৭০০ চিকিৎসককে প্রশিক্ষণ করিয়েছি। যাতে দক্ষ চিকিৎসক তৈরি করে ভালো মানের স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিত করা যায়।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে সিলেট প্রেসক্লাব সভাপতি মুকতাবিস উন নুর বলেন, প্রবাসীরা আমাদের প্রাণ। বিশেষ করে ইংল্যান্ডের সাথে আমাদের আত্মিক সম্পর্ক। কিন্তু প্রবাসীরা দেশে ছুটে আসলেও তাদের সন্তানরা বিশেষ করে নতুন প্রজন্ম সিলেট বিমুখ হয়ে যাচ্ছে। নতুন প্রজন্মকে দেশে নিয়ে আসতে হবে। যাদের সাথে আমাদের সম্পর্ক রয়েছে তাদের সন্তানদের সিলেট প্রেসক্লাবে নিয়ে আসার আহবান জানিয়ে তিনি বলেন, আমরা প্রবাসীদের জন্য বিশেষ করে নতুন প্রজন্মের জন্য নতুন করে সেতুবন্ধন তৈরি করতে চাই। এজন্য সিলেট প্রেসক্লাব প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করবে। 

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে লন্ডন বাংলা প্রেসক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক ও দৈনিক সিলেটের ডাকের অতিথি সম্পাদক নজরুল ইসলাম বাসন বলেন, ওয়ালী তসর উদ্দিন ৬১ বছর ধরে কাজ করছেন। তিনি একজন আলোকবর্তিকা হিসেবে সমাজের জন্যে কাজ করে যাচ্ছেন। সিলেট প্রেসক্লাব হতে পারে একটি মিলনকেন্দ্র। এখানে প্রবাসীরা আসবেন। প্রবাসী বিনিয়োগ নিয়ে সিলেট প্রেসক্লাব একটি গ্রন্থ করতে পারে। প্রবাসীরা যাতে করে নিজের জন্মভূমিতে এসে কোনো ধরনের হয়রানির শিকার না হন এজন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে। বিশেষ করে লন্ডন প্রবাসীরা যাতে হয়রানির শিকার না হন এজন্য সিলেট প্রেসক্লাবে একটা প্রবাসী ডেস্ক স্থাপন করা প্রয়োজন। এই ডেস্ক স্থাপন করা গেলে প্রবাসীদের হয়রানি কমে আসবে। প্রবাসীরা সবসময়ই দেশের কল্যান চান, ভালো কামনা করেন।

অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সিলেট প্রেসক্লাবের সাবেক সহসভাপতি আব্দুল কাদের তাফাদার, দৈনিক প্রভাতবেলা সম্পাদক কবির আহমদ সোহেল, ইলেকট্রনিক জার্নালিস্ট এসোসিয়েশন ইমজা'র সাধারণ সম্পাদক সাকিব আহমদ মিঠু, ফটো জার্নালিস্ট এসোসিয়েশনের সিলেট বিভাগীয় কমিটির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হুমায়ুন কবির লিটন ও দৈনিক জালালাবাদের স্টাফ রিপোর্টার এম জে এইচ জামিল বক্তব্য রাখেন।


অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ড. ওয়ালী তসর উদ্দিনের খালাতো ভাই আজমনি বহুমুখী হাই স্কুল এন্ড কলেজের অভিভাবক শিক্ষক সমিতির সভাপতি  সিনিয়র সাংবাদিক মো: জোসেপ আলি চৌধুরী. সিলেট-চট্টগ্রাম ফ্রেন্ডশিপ ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা সভাপিত শহিদুল ইসলাম, আশরাফ গাজী, শেখ ফারুক আহমদ, নাজাম উদ্দিন, শাহ কায়েস চৌধুরী, রুহী আহাদ, ইয়াহইয়া আহাদ, খালেদ নজরুল, আব্দুল আলেক, সিলেট কেন্দ্রীয় মুসলিম সাহিত্য সংসদের সাবেক সাধারণ সম্পাদক দেওয়ান মাহমুদ রাজা চৌধুরী ,সিলেট প্রেসক্লাবের সহ সভাপতি ফয়ছল আলম, সহ সাধারণ সম্পাদক খালেদ আহমদ, কোষাধ্যক্ষ ফয়সাল আমীন, সাবেক কোষাধ্যক্ষ আনিস রহমান, ইলেকট্রনিক জার্নালিস্ট এসোসিয়েশন ইমজা'র সাবেক সভাপতি মঈন উদ্দিন মনজু, ফটো জার্নালিস্ট এসোসিয়েশন সিলেট বিভাগীয় কমিটির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি আতাউর রহমান আতা, সিলেট প্রেসক্লাবের সাবেক স্পোর্টস সেক্রেটারি নুর আহমদ ও বর্তমান পাঠাগার সম্পাদক মুহিবুর রহমান ও সাবেক পাঠাগার সম্পাদক সাঈদ নোমান, বর্তমান কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য আনাস হাবিব কলিন্স, সাংবাদিক এম এ মতিন, দুলাল হোসেন, আমিরুল ইসলাম চৌধুরী এহিয়া, মুন্সী ইকবাল, শফিক আহমদ শফি, ইয়াহইয়া মারুফ, আব্দুল্লাহ আল নোমান, লবীব আহমদ, এমজেএম গ্রুপের সদস্য আমিনুর রহমান ও মুশতাক আহমদ প্রমুখ।


সফলতার গল্প এর আরও খবর: