গবেষণার জন্য জাপান যাচ্ছেন বশেফমুবিপ্রবির ড. মাহমুদুল হাছান

 প্রকাশ: ১২ নভেম্বর ২০২২, ১০:৩৭ অপরাহ্ন   |   সফলতার গল্প

গবেষণার জন্য জাপান যাচ্ছেন বশেফমুবিপ্রবির ড. মাহমুদুল হাছান

মোঃ সাদেকুল ইসলাম সাকিব (বশেফমুবিপ্রবি ) :

বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিশারিজ বিভাগের সহকারী অধ্যাপক  ড. মাহমুদুল হাছান গবেষণার জন্য নাগাহামা ইনস্টিটিউট অফ বায়ো-সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজির সহযোগী প্রফেসর ড. আটশুসি কুরাবায়সীর আহবানে ১২ নভেম্বর (শনিবার) জাপান যাচ্ছেন। সেখানে তিনি সাপ ও ব্যাঙ মধ্যে হরিজেন্টাল (আনুভূমিক)  জিন ট্রান্সফারের বিষয়ে, যমুনা নদীর রুই মাছের জীবন রহস্য ও অন্যান্য প্রাণীর মলিকুলার বিষয়ে গবেষণা করবেন।


তার ৩টি নতুন প্রজাতির ব্যাঙ (হোপলোব্যাট্র্যাকাস লিটোরালিস , মাইক্রোহিলা মোখলেসুরি ও মাইক্রোহিলা মাইমেনসিংহেসিস) আবিষ্কার সহ অনেক মৌলিক গবেষণা রয়েছে এবং ২৮টির বেশি গবেষণা পেপার দেশি-বিদেশি জার্নালে প্রকাশিত হয়েছে।তিনি AD Scientific Index এর মতে ২০২২ সলে বশেফমুবিপ্রবির সকল ক্যাটাগরিতে প্রথম স্থান অধিকার করেছেন।এছাড়াও তিনি অস্ট্রেলিয়া, চীন, জাপান, জার্মানি, কানাডা, নেদারল্যান্ড সহ পৃথিবীর বহু দেশে ভ্রমণ করেছেন।  


তিনি বায়োলজিক্যাল সাইন্সে মৌলিক বিষয়ে গবেষণা করে মানবজাতি ও সভ্যতার উন্নয়নের জন্য কাজ করে যাচ্ছেন। এখানে উল্লেখ্য যে, তার তত্ত্বাবধায়নে ইউজিসির ফান্ডে এ বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য জেনেটিক এনালাইজার নামক সোয়া কোটি টাকা মূল্যের যন্ত্র ক্রয়ের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।


ড. হাছান বলেন, আমার এ গবেষণা সফরের মূল উদ্দেশ্য ব্যাঙ ও সাপের মধ্যে যে হরিজেন্টাল জিন ট্রান্সফার হয় তা এবং যমুনা নদীর রুই মাছের (Whole Genome Sequence) জীবন রহস্য নিয়ে গবেষণা করা। সেই সাথে বিশ্ববিদ্যালয়ের সুনাম আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে তুলে ধরা ও বিশ্ব দরবারে তা ছড়িয়ে দেওয়া।


তিনি আরো বলেন,  জেনেটিক এনালাইজারটি আমরা নিয়ে আসতে পারলে এ বিশ্ববিদ্যালয়ে মলিকুলার লেভেলে গবেষণার দিগন্ত উন্মোচিত হবে তাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব গবেষকরা যেমন জিন সিকোয়েন্স নিয়ে গবেষণা করতে পারবে তেমনি অন্য বিশ্ববিদ্যালয় থেকেও এখানে এসে কাজ করিয়ে নিয়ে যেতে পারবে। এতে বিশ্ববিদ্যালয় আর্থিকভাবেও লাভবান হবেন।


সফলতার গল্প এর আরও খবর: